Posts

Showing posts with the label bangla

নিরীশ্বরবাদীর দ্বন্দ্ব

ধার্মিকরা সচরাচর মনে করে থাকে যে নিরীশ্বরবাদীরা ইশ্বরকে অস্বীকার করতে পারলেই খুশি হয়। কিন্তু তারা আদৌ জানে না যে ঈশ্বরকে অবিশ্বাস করা মাত্রই এক অনিশ্চয়তা উদ্ভব হয়। যখন মাথার ওপর আর কোনো কর্তা থাকে না তখন প্রমাণ নৈতিকতার বাস্তবতা থাকে না। মানে যা খুশি করা যায়,পরম বিচারক কেউ নেই। এই শূন্যতাকে সবাই ভয় করে। হয়তো প্রতিটি ধার্মিকই কখনও না কখনও ঈশ্বরের না থাকার সম্ভাবনা নিয়ে ভাবে। কিন্তু এই ককর্তৃত্বহীনতা সে মানতে পারে না। অপর দিকে প্রতিটি নিরীশ্বরবাদীই একবার ভাবে জীবনে ইশ্বরকে ফিরি য়ে আনা যায় কি না, শূন্যতাকে পূরণ করতে। সে নিজেকে নেগেট করে। কিন্তু যদি সে নিজের যুক্তির প্রতি সৎ থাকে তবে অবশেষে ঈশ্বরকে আর ফিরিয়ে আনে না। তবে এই দ্বিতীয় নেগেশনে আগের অনিশ্চয়তা আর থাকে না। কারণ এখন তার কাছে সে নিজেই কর্তা আর তার নীতিবোধ উপরওয়ালা থেকে পাওয়া নয়, নিজের মধ্যে থেকে উদ্ভূত। এ এক আনন্দের ব্যাপার। প্রতিটি নিরীশ্বরবাদী জীবনে দু'বার ঈশ্বরে বিশ্বাস হারায়। কিন্তু দু'বার আলাদা ভাবে। First as tragedy, then as farce.

পরিবেশ চৈতন্য

চেতনা নয় চৈতন্য।বিশ্ব জুড়ে যে সংকট আমাদের সামনে উপস্থিত তার মোকাবিলায় দরকার পরিবেশচৈতন্য।                চৈতন্য হল আত্মচেতনা।বহির্জগতের বিষয়ে সম্যক জ্ঞান ও অন্তরের চেতনা লাভের মধ্য দিয়ে আত্মার চৈতন্য জেগে ওঠে।                                 সকল জীবের মত পরিবেশের আর সব উপাদানের মধ্যেই মানুষের সৃষ্টি,বিবর্তন ও অধিবাস। কিন্তু স্বার্থ ও বিলাসের মোহে আচ্ছন্ন মানুষ যখন পরিবেশের প্রতি বিমুখ হয়ে ওঠে এবং আত্মমগ্নতা ও অজ্ঞতার কারণে পরিবেশের ক্ষতি করে তখনই প্রাসঙ্গিক হয়  পরিবেশচৈতন্য ।                          পরিবেশ  চৈতন্য আর কিছুই নয় প্রকৃতিপরমাত্মার সাথে জীবাত্মার এক হয়ে যাওয়া। সম্প্রতিকালে বিশ্বউষ্ণায়ন,বনধ্বংস ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পিছনে মানুষের মুর্খামি কতটা দায়ী তা আমরা জানি।সমস্যাটা সেখানেই।আমরা প্রত্যেকে পরিবেশ দূষণ,গ্রিনহাউস প্রভাব বিষয়ে জানি।অথচ আমাদের যেসব আচরণ এই বিপদের ক...